সৌদির পক্ষে যুদ্ধে নামতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্পের বড় ইঙ্গিত
সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সামরিক তৎপরতা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রও অংশ নিতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সৌদি রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার খবর সামনে আসার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে এবং ওয়াশিংটন এ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।শনিবার (১০ অক্টোবর) হোয়াইট হাউস থেকে টেনেসিতে একটি নির্বাচনি সমাবেশে যাওয়ার পথে সাংবাদিকেরা ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের চলমান লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেবে কি না।জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা যোগ দিতে পারি। বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক হামলার খবর আমরা মাত্রই জানতে পেরেছি। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নেব। আমরা খুব দ্রুত পদক্ষেপ নেব।’শনিবার সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। এরপর আরেকটি হামলায়ও বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা এখনো এসব হামলার দায় স্বীকার করেনি।সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো ধারাবাহিক হামলার অংশ ছিল এ ঘটনা। তবে হামলার ধরন এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।এদিকে রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার ঘটনা ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলা নিয়ে ট্রাম্পের আগের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আনবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে তিনি এগোবেন না।এ বিষয়ে সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব।’সিবিএস নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের বক্তব্যে সৌদি আরবের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নাকচ করা হয়নি। তবে হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের লড়াইয়ে ওয়াশিংটন সরাসরি যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি।
/বিএসএস