• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম


গোল না করেও বিশ্বকাপ জিতলে সবার সামনে উদযাপন করবেন এমবাপ্পে

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৩ জুন ২০২৬ ১:০৯ এএম

২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালের স্মৃতি এখনো ফুটবলপ্রেমীদের মনে তাজা। কাতারের সেই রোমাঞ্চকর রাতে টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল আর্জেন্টিনা। তবে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত পুরো ফাইনালকে নিজের করে নিয়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। হ্যাটট্রিক করেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জেতা হয়নি ফরাসি এই তারকা স্ট্রাইকারের।

এবারের বিশ্বকাপের নকআউট কাঠামো অনুযায়ী কোনো অঘটন না ঘটলে আবারও ফাইনালে মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স। এমন সম্ভাবনা নিয়ে ফ্রান্সের সমর্থকদের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা থাকলেও এমবাপ্পে নিজেকে ‘প্রতিশোধের নেশায়’ থাকা ফুটবলার হিসেবে দেখতে রাজি নন।

টুর্নামেন্টের সম্প্রচারকারী ফরাসি টেলিভিশন নেটওয়ার্ক এম৬-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রতিশোধের প্রসঙ্গ সরাসরি উড়িয়ে দিয়ে এমবাপ্পে বলেন, ‘না, এটি প্রতিশোধের ব্যাপার নয়। আমরা বিশ্বকাপ জিতলেও টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়ন হব না, অতীত বদলানো সম্ভব নয়। তারা আমাদের হারিয়েছিল, আর সেটা তাদের প্রাপ্যই ছিল।’

দুই দলই ড্রয়ের সময় পট-১-এ থাকায় গ্রুপ পর্বে একই গ্রুপে পড়ার সুযোগ ছিল না। পরবর্তীতে ড্রয়ের ফলও এমন হয়েছে যে ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিট হিসেবে বিবেচিত দুই দলের আবারও শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

আবার ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হলে কতটা রোমাঞ্চিত হবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে এমবাপ্পে বলেন, ‘আবার মুখোমুখি হলে আমরা সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু তাদের নিয়ে আমাদের কোনো বাড়তি ভাবনা নেই।’

গত বিশ্বকাপে তিনটি গোলসহ মোট আট গোল করে গোল্ডেন বুট জিতলেও রানার্সআপ দলের সদস্য ছিলেন এমবাপ্পে। এবার যদি তিনি একটিও গোল না করেন, কিন্তু ফ্রান্স বিশ্বকাপ জিতে যায়, তাহলে কেমন অনুভূতি হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ফরাসি ফরোয়ার্ড বলেন, ‘এক মুহূর্তও ভাবব না। এখনই লিখে দিতে পারি। আমি গোল না করলে যদি দল বিশ্বকাপ জেতে, তাহলে ট্রফি নিয়ে উদযাপনের মিছিলে আমি সবার সামনে থাকব।’

‘আই’ গ্রুপে থাকা ফ্রান্স এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ১৬ জুন সেনেগালের বিপক্ষে। একই গ্রুপে তাদের অপর দুই প্রতিপক্ষ নরওয়ে ও ইরাক।