জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের শূন্য পদে উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আসনে প্রার্থী হতে বিএনপির মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম। তবে দলীয়ভাবে তাঁর প্রার্থিতা চূড়ান্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।
গত ১৮ অক্টোবর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কথা নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জানান মেঘনা আলম। একই সঙ্গে জনগণের সমর্থন নিয়ে জনসেবায় যুক্ত হওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগের পর আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওঠা অভিযোগ এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়। পরে সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে আসনটি শূন্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন ঘিরে বিএনপির মনোনয়ন কার্যক্রমও চলছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ নির্বাচনে বিএনপির ২১টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি নতুন ভোটার নিবন্ধন ও এলাকা পরিবর্তনের আবেদনের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ অক্টোবর।
মেঘনা আলমের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রার প্রসঙ্গে আগের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলও আলোচনায় এসেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে ট্রাক প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি পেয়েছিলেন ৬০৮ ভোট। ওই নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির মির্জা আব্বাস এবং এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
তবে সাধারণ আসনের নির্বাচনে পাওয়া ভোটের সংখ্যা দিয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে তাঁর সম্ভাবনা নির্ধারণ করা যায় না। এবার তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর।
দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত হলে মেঘনা আলমের সামনে রাজনীতিতে এগিয়ে যাওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি মনোনয়ন পাবেন কি না এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সফল হবেন কি না, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের জন্য।
/এসএন