• ঢাকা
  • শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৬ এএম


ডিবির হাতে গ্রে’প্তারের আগে ভিডিও বার্তায় যা বললেন আখতারুজ্জামান

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৪০ পিএম

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হেনস্তার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারের ঠিক আগ মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তা দেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। সেখানে তিনি বলেন, ‘আসসালামু আলাইকুম, প্রিয় দেশবাসী, সবাই ভালো থাকবেন, সুখে থাকবেন। আমাকে এই মুহূর্তে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছে, সবাইকে বিষয়টি জানিয়ে রাখলাম।’

ভিডিও বার্তায় তিনি আরও বলেন, ‘দোয়া করবেন আমি যেন জনগণের জন্য, দেশের মানুষের জন্য বিশেষ করে প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য যদি শহীদ হতে পারি, আল্লাহ যেন আমার সেই দাবি কবুল করেন, আহ্বান কবুল করেন। জনগণের অধিকারের সংগ্রামে আমি আছি, আজীবন থাকব। যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন জনগণের পাশে থাকব, জনগণের জন্য সংগ্রাম করব। জনগণের জন্য এই জীবন ত্যাগ করব। সবাই ভালো থাকবেন। আসসালামু আলাইকুম।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকালে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের ওমরাহ যাত্রীদের জমজমের পানি সরবরাহে বিলম্বকে কেন্দ্র করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

ওই ঘটনায় জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালককে হুমকি ও গালিগালাজ এবং এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় শুক্রবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজীব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা করেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটে জামায়াতের ৩৪ জন প্রতিনিধি সপরিবারে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান। যাত্রীদের চাপ ও ট্রলির সংকটের কারণে লাগেজ এবং জমজমের পানি পেতে দেরি হওয়ায় কয়েকজন যাত্রী উত্তেজিত হয়ে পড়েন।

পরে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ ঘটনাস্থলে গেলে আখতারুজ্জামান তাকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়ায় নিরাপত্তা সুপারভাইজার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিনকে আখতারুজ্জামান গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে আঘাত করেন। পরে সাধারণ যাত্রীদের জন্য রাখা জমজমের পানির বোতলও তিনি ট্রলি থেকে ছুড়ে ফেলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।

সূত্র: ইত্তেফাক

৫টি শিরোনাম

১. ২০০৮ সালে সালাহউদ্দিনের সম্পদ ৬.৩ কোটি, ২০২৫ সালে ৩০ কোটি: উৎস জানতে চাইলেন হাসনাত
২. সালাহউদ্দিন আহমদের সম্পদের উৎস প্রকাশের দাবি হাসনাতের
৩. সালাহউদ্দিনের সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন তুলে ব্যাংক হিসাব যাচাইয়ের দাবি হাসনাতের
৪. ১৭ বছরে সম্পদ বেড়েছে ৬.৩ কোটি থেকে ৩০ কোটি, প্রশ্ন হাসনাতের
৫. এমপি-মন্ত্রীদের ব্যাংক হিসাব যাচাইয়ের দাবি, সালাহউদ্দিনকে দিয়ে শুরু করতে বললেন হাসনাত

পূর্ণাঙ্গ সংবাদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সম্পদের উৎস ও স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এমপি-মন্ত্রী এবং তাঁদের নিকটাত্মীয়দের ব্যাংক হিসাব নিয়মিত যাচাই করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এই প্রক্রিয়া সালাহউদ্দিন আহমদকে দিয়ে শুরু করার কথাও বলেন তিনি।

ইত্তেফাকের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে হাসনাত তার পোস্টে সালাহউদ্দিন আহমদ ও তার স্ত্রী হাসিনা আহমদের সম্পদের পরিমাণ নিয়ে কয়েকটি হিসাব তুলে ধরেন। তার দাবি, নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী এই দম্পতির সম্পদের পরিমাণ ২০০৮ সালে ছিল ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা, ২০১৮ সালে ১২ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং ২০২৫ সালে ৩০ কোটি টাকা।

হাসনাতের পোস্টে উল্লেখ করা এই হিসাবের ভিত্তিতে তিনি সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। বিশেষ করে গুলশানে থাকা সম্পত্তি এবং সন্তানদের বিদেশে পড়াশোনার ব্যয় কীভাবে নির্বাহ করা হয়েছে, সে বিষয়েও ব্যাখ্যা দাবি করেন তিনি।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, আয়, উত্তরাধিকার ও বিনিয়োগ—কোন উৎস থেকে কতটা সম্পদ এসেছে, তার যাচাইযোগ্য হিসাব প্রকাশ করা প্রয়োজন।

এদিকে সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলবের প্রসঙ্গও নিজের পোস্টে তুলে ধরেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, রাষ্ট্র কারও হিসাব চাইতে পারে। তবে সরকারের সমালোচনা করার পর এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা উদ্বেগের বিষয়।

জনস্বার্থে একইভাবে এমপি-মন্ত্রীদের ব্যাংক হিসাবও যাচাই করা উচিত বলে দাবি করেন তিনি। তার মতে, এই যাচাই প্রক্রিয়া সালাহউদ্দিন আহমদের হিসাব দিয়ে শুরু করা যেতে পারে।

/এসএন