• ঢাকা
  • সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮:২১ পিএম


অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য: তারেক রহমানকে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৭ মে ২০২৬ ৮:৩৬ পিএম

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর ২০০৭ সালের গ্রেপ্তার, জিজ্ঞাসাবাদ ও পরবর্তী বিদেশে অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানে ওই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে বিভিন্ন দাবি ও জবানবন্দির তথ্য সামনে এসেছে বলে জানানো হয়েছে।


গ্রেপ্তার নিয়ে অনুসন্ধানের দাবি
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৭ সালের ৭ মার্চ সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসা থেকে তারেক রহমানকে আটক করা হয়। অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের নির্দেশে তাকে ডিজিএফআইয়ের যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্রে নেওয়া হয় এবং আর্মি সদর দপ্তরে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।


বর্ণনায় বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই তাকে বাসা থেকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পথে নিরাপত্তাজনিত কারণে তার চোখ ঢেকে রাখা হয়েছিল।


জিজ্ঞাসাবাদ ও নির্যাতনের অভিযোগ
অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাকে কয়েক দিন ধরে চোখ বেঁধে রাখা, দীর্ঘ সময় হাত বাঁধা অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখা এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার জবানবন্দিতে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে।


স্বাস্থ্যগত অবস্থা নিয়ে দাবি
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে পরিবারের এক সদস্যের মৃত্যুর পর প্যারোলে মুক্তি পেলে তাকে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায় বলে একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তার জবানবন্দিতে বলা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় শারীরিক নির্যাতনের ফলে তিনি গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন।


সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রসঙ্গ
অনুসন্ধানে কয়েকজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদ ও স্বীকারোক্তি গ্রহণের সময় তারা উপস্থিত ছিলেন বলে জবানবন্দিতে দাবি করা হয়েছে।
তবে জিজ্ঞাসাবাদে একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা দাবি করেছেন, তিনি নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এবং অন্যত্র দায়িত্বে থাকায় এ ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিলেন না।


বিদেশযাত্রা
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান বিদেশে যান। অনুসন্ধানে দাবি করা হয়েছে, দেশত্যাগের আগে একটি অঙ্গীকারপত্রে সই নেওয়া হয়েছিল।


প্রেক্ষাপট
২০০৭ সালের ১/১১ রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় বহু রাজনৈতিক নেতা ও কর্মকর্তার গ্রেপ্তার, জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। নতুন এই অনুসন্ধান সেই বিতর্ককে আবার সামনে নিয়ে এসেছে।
চাইলে এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত, ফিচার বা বিশ্লেষণধর্মী ভার্সনেও সাজিয়ে দিতে পারি।

/বিএসএস