• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫২ এএম


সংসদ ভবনের ছাদ থেকে চুইয়ে পড়ে পানি, বাটি রেখে সামাল দিচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার!

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ১৪ জুলাই ২০২৬ ১২:০০ এএম

জাতীয় সংসদ ভবনের বিভিন্ন স্থান, এমনকি মসজিদের ছাদ থেকেও বৃষ্টির পানি চুইয়ে পড়ার ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সরকারি দলের হুইপ জি কে গউছ। এ বিষয়ে ডেপুটি স্পিকারও সমস্যার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বৃষ্টির দিনে তার নিজের কক্ষের ছাদ থেকেও পানি পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাকেও বাটি রেখে পানি আটকাতে হয়।

সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকারের সভাপতিত্বে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি উত্থাপন করেন হুইপ জি কে গউছ।

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ ভবনের পবিত্র মসজিদসহ বিভিন্ন কক্ষে বৃষ্টির পানি ঢুকছে। সংসদ সদস্যরা যে কক্ষে অধিবেশনে অংশ নেন, তার ওপরের তলাতেই মসজিদ অবস্থিত। সেখানে নামাজ আদায়ের সময় ছাদ থেকে পানি পড়ায় বালতি দিয়ে তা আটকাতে হচ্ছে।

হুইপ বলেন, “যে সংসদে আমরা ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করেছি, সেই সংসদ ভবনের মসজিদের এমন অবস্থা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।” তিনি দ্রুত ছাদ সংস্কার করে পানি পড়া বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

হুইপের বক্তব্যের জবাবে ডেপুটি স্পিকার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সংসদ ভবনের ছাদ থেকে পানি পড়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের নজরে এসেছে।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বৃষ্টির দিনে তার নিজের কক্ষের ছাদ থেকেও পানি পড়ে। তখন মেঝেতে বাটি রেখে পানি আটকানোর ব্যবস্থা করতে হয়।

ডেপুটি স্পিকারের এই মন্তব্যে সংসদ কক্ষে কিছুটা হাস্যরসের পরিবেশ সৃষ্টি হলেও তিনি বিষয়টির গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

পরে সংসদ পরিচালনাকারী চিফ হুইপ জানান, জাতীয় সংসদ ভবনের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের। ইতোমধ্যে পানি চুইয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং যেসব স্থানে সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই সমস্যাটির স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হবে।

এ সময় ডেপুটি স্পিকার সংসদে উপস্থিত গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান।

জবাবে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, সংসদ ভবনের ছাদ সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যেই সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা হবে।

সূত্র: জাতীয় সংসদ

/এএসএফ