• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৪ এএম


বিদ্রোহীদের ১৫ দিনের আল্টিমেটাম মমতার, এরপর ‘দলের দরজা চিরতরে বন্ধ’

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৫ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৩২ পিএম

বিদ্রোহীদের ১৫ দিনের আল্টিমেটাম মমতার, এরপর ‘দলের দরজা চিরতরে বন্ধ’দল ছেড়ে যাওয়া সাবেক সংসদ সদস্য ও বিধায়কদের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসার জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন দলটির প্রধান ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিরে না এলে তাদের জন্য দলের দরজা আর খোলা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।রোববার (৪ অক্টোবর) উত্তর দিনাজপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের এক বড় সমাবেশে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে মমতা এই বার্তা দেন। বিধানসভা নির্বাচনের পর উত্তরবঙ্গে এটিকে তৃণমূলের বড় ধরনের সাংগঠনিক শক্তিপ্রদর্শন হিসেবে দেখা হচ্ছে।মমতা বলেন, দলীয় সমর্থনে নির্বাচিত হওয়া অনেক এমপি ও বিধায়ক পরবর্তীতে দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। যারা তৃণমূল ছেড়ে গেছেন, তারা ১৫ দিনের মধ্যে ফিরে এলে তাদের গ্রহণ করা হবে। এরপর আর তাদের জন্য দলের কোনো জায়গা থাকবে না বলে জানান তিনি।দল পুনর্গঠনের প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী সাধারণ কর্মীদের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দলের প্রকৃত শক্তি শীর্ষ নেতারা নন, বরং তৃণমূল পর্যায়ের কর্মী ও সমর্থকেরা। ১৯৯৮ সালে যেভাবে দলকে শূন্য থেকে গড়ে তুলেছিলেন, সেভাবেই তৃণমূলকে আবার শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।বক্তব্যে ভারতের নির্বাচন কমিশনেরও সমালোচনা করেন মমতা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার দায়িত্বে থাকা পর্যন্ত বিজেপি সুবিধা পাবে বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই সঙ্গে বিরোধীদের ‘ইন্ডিয়া’ জোটে তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তৃণমূলকে ছাড়া বিজেপির বিরুদ্ধে জোটকে শক্তিশালী করা সম্ভব নয়।মমতার এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও দলত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। দলত্যাগী ২০ জন তৃণমূল সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে অযোগ্যতার আবেদন নিয়েও লোকসভায় পৃথক প্রক্রিয়া চলছে; তাদের জবাব দেওয়ার সময়সীমা ৮ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

/বিএসএস