• ঢাকা
  • রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১১ এএম


বান্ধবীকে সন্দেহ, ছয় মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি তাজমিনের মা

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ৯ অক্টোবর ২০২৬ ৮:৩৮ পিএম

বান্ধবীকে সন্দেহ, ছয় মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি তাজমিনের মা

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় ধানক্ষেত থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার মায়ের দেওয়া তথ্য। মেয়ের এক বান্ধবীকে ভালো মনে না হওয়ায় প্রায় ছয় মাস তাজমিনকে স্কুলে যেতে দেননি বলে জানিয়েছেন তার মা। তবে ওই বান্ধবীর সঙ্গে তাজমিনের মৃত্যুর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার মৃত্যুর কারণ ও ঘটনার পেছনের রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।তাজমিনের মায়ের ভাষ্য অনুযায়ী, মেয়ের বন্ধুত্ব নিয়ে আগে থেকেই তাঁর উদ্বেগ ছিল। বিশেষ করে মেয়ের এক বান্ধবীকে তাঁর ভালো মনে হয়নি। এ কারণে মেয়েকে চোখে চোখে রাখতেন এবং নিয়মিত তার খোঁজখবর নিতেন। এমনকি ওই বান্ধবীকে নিয়ে সন্দেহের কারণে প্রায় ছয় মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি বলেও জানিয়েছেন তিনি।ঘটনার দিন বিকেল ৪টার দিকে মেয়ের সঙ্গে তাঁর সর্বশেষ কথা হয়। তখনো তিনি তাজমিনের কাছে ওই বান্ধবীর নাম ও বাসার ঠিকানা জানতে চেয়েছিলেন। মেয়েকে তিনি বলেছিলেন, ‘তোর বান্ধবীর নাম বল, বাসার ঠিকানা বল, বাসায় গিয়ে নিয়ে আসব।’কিন্তু মায়ের সঙ্গে ওই কথোপকথনের পর তাজমিনের সঙ্গে কী ঘটেছিল, তা এখনো স্পষ্ট নয়। কীভাবে সে লালমাইয়ের জগতপুর এলাকায় পৌঁছাল, ঘটনার সময় তার সঙ্গে কেউ ছিল কি না কিংবা কী পরিস্থিতিতে তার মৃত্যু হয়েছে—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পরিবার ও তদন্তসংশ্লিষ্টরা।পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাজমিনের চলাফেরা ও বন্ধুত্ব নিয়ে সতর্ক ছিলেন তার মা। মেয়ের এক বান্ধবীকে নিয়ে তাঁর উদ্বেগ থাকলেও সেই বন্ধুত্বের সঙ্গে তাজমিনের মৃত্যুর কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।তাজমিনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে। ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

/বিএসএস