• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫১ পিএম


মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের মান যাচাইয়ে জাতীয় মূল্যায়ন পরীক্ষা শুরু আগামীকাল থেকে

আপডেট টাইম: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১১:১৪ পিএম

মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি মূল্যায়ন এবং শিক্ষাব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে আগামী বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দেশের নির্বাচিত ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অব সেকেন্ডারি স্টুডেন্টস’ (নাস)-এর পাইলট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এ তথ্য জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, যা সোমবার (১৫ এপ্রিল) এক অফিস আদেশে প্রকাশ করা হয়।

সংস্থাটি জানায়, বিশ্বব্যাংক-এর ঋণসহায়তায় পরিচালিত ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস)’ প্রকল্পের আওতায় এই মূল্যায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাইলট পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ সরকার প্রায় ৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা পাবে।

এই পরীক্ষার মূল লক্ষ্য হলো প্রণীত প্রশ্নপত্রের যথার্থতা ও কার্যকারিতা যাচাই করা। দেশের ৩০টি উপজেলা থেকে নির্বাচিত ৩০টি প্রতিষ্ঠানে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এতে ষষ্ঠ, অষ্টম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেবে—যারা বর্তমানে যথাক্রমে সপ্তম, নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত এবং এসএসসি বা দাখিল পরীক্ষার্থী।

বাংলা, ইংরেজি ও গণিত—এই তিন বিষয়ে মূল্যায়ন করা হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রতি শ্রেণিতে ৩০ জন করে মোট ৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে পরীক্ষা শুরু হবে। বাংলা পরীক্ষা চলবে ১০টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত, এরপর ইংরেজি ও গণিত পরীক্ষা পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি পরীক্ষার মাঝে ২০ মিনিট বিরতি থাকবে।

পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য উপজেলা বা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে সদস্যসচিব করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া পরীক্ষার আগের দিন সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কমিটির সদস্যদের জন্য ওরিয়েন্টেশন আয়োজন করা হবে।

পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র সিলগালা করে নিরাপদে ‘লেইস’ প্রকল্প কার্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিখনফল নির্ধারণের পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থার শক্তি ও দুর্বলতা চিহ্নিত করা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।