মাসে প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকরা ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠালেও তাঁদের জীবনমান ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ কমেনি। অর্থনীতির এই “রেমিট্যান্স যোদ্ধারা” এখনও অবহেলা, শোষণ ও ঝুঁকির মধ্যেই রয়েছেন।বিদেশ যাওয়ার প্রক্রিয়ায় দালাল চক্র, ভুয়া ভিসা ও অতিরিক্ত অভিবাসন খরচে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন অনেক শ্রমিক। সমুদ্রপথে অবৈধভাবে যাওয়ার সময় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। গত বছর গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১৪ জন প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফিরেছে বলে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তথ্য জানাচ্ছে।নারী শ্রমিকদের অবস্থাও আরও উদ্বেগজনক। বিদেশে গিয়ে অনেকেই শারীরিক-মানসিক নির্যাতন, কম বেতন ও অমানবিক কর্মপরিবেশের শিকার হচ্ছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হাজার হাজার নারী শ্রমিক দেশে ফিরেছেন নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে।অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষ শ্রমবাজার তৈরি, শক্তিশালী আইনি কাঠামো, দালাল চক্র নিয়ন্ত্রণ এবং অভিবাসন খরচ কমানো ছাড়া এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়।এই পরিস্থিতির মধ্যেই আজ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস (মে দিবস)। এবারের প্রতিপাদ্য— “সুস্থ শ্রমিক কর্মঠ হাত, আসবে এবার নবপ্রভাত।”