• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১১ এএম


মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের আভাস, থাকছেন না সড়ক পরিবহনে রবিউল

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২ জুন ২০২৬ ৮:০২ এএম

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারের মন্ত্রিসভায় শিগগিরই বড় ধরনের রদবদল ও সম্প্রসারণ হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা, জনসেবার মান উন্নয়ন এবং মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্ব বণ্টনে ভারসাম্য আনতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সূত্রগুলো বলছে, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে নতুন নেতৃত্ব আনার পাশাপাশি একাধিক দপ্তরের দায়িত্বে থাকা কিছু মন্ত্রীর দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস করা হতে পারে। বিশেষ করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে পরিবর্তনের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে।

সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগের পর মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে দেওয়া তার পদত্যাগপত্র ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। অর্থ, বাণিজ্য, শিক্ষা ও পরিবহনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একই ব্যক্তির হাতে থাকায় কাজের চাপ বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে দায়িত্ব পৃথক করে নতুন কাঠামো তৈরির বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

দলীয় ও প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হলে কয়েকজন উপমন্ত্রী এবং সংরক্ষিত নারী আসনের একজন সংসদ সদস্যও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন।

সম্ভাব্য নামের তালিকায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান এবং ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুর নাম আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া টেকনোক্র্যাট কোটায় সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও হাবিবুন্নবী খান সোহেলের নামও শোনা যাচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী পদে ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলের নামও আলোচনায় রয়েছে।

এছাড়া সংসদের উপনেতা হিসেবে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম আলোচনায় রয়েছে। সম্ভাব্য নতুন মুখের তালিকায় আরও রয়েছেন এবিএম মোশাররফ হোসেন, মাহিদুর রহমান, মো. আবুল কালাম এবং এরশাদ উল্লাহ।

তবে এসব বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এ প্রসঙ্গে বলেন, “মন্ত্রিসভায় কে থাকবেন বা কোন দায়িত্ব পাবেন, সে সিদ্ধান্ত একান্তই প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধানের এখতিয়ার।”

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রশাসনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, মন্ত্রীদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপ কমানো এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে গতি আনতেই মন্ত্রিসভার পুনর্গঠন বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ক্ষমতাবলে যেকোনো সময় এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

/এএসএফ