• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম


জুনের শেষেই প্রকাশ হতে পারে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল

দি পালস বিডি অনলাইন ডেস্ক
আপডেট টাইম: ২২ জুন ২০২৬ ৭:৫৩ পিএম

দীর্ঘ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতার পর অবশেষে চলতি জুন মাসের শেষ সপ্তাহেই প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হতে পারে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আইপিইএমআইএস (IPEMIS) লাইভ সার্ভারে ফলাফল দেখার লিংকও উন্মুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের তথ্য-ব্যবস্থাপনা বিভাগের সিস্টেম অ্যানালিস্ট দিলীপ কুমার সরকার গণমাধ্যমকে জানান, ফলাফল প্রস্তুতের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে শুধুমাত্র কিছু যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে।

তিনি বলেন, আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে ফলাফল প্রশাসন বিভাগে পাঠানো হবে। এরপর প্রশাসন বিভাগ ফল প্রকাশের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করবে। তবে চলতি জুন মাসের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

২০০৯ সালে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য প্রচলিত বৃত্তি পরীক্ষা বন্ধ করে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা চালু করা হয়েছিল। সে সময় পিইসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হতো।

পরবর্তীতে করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালে পিইসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। পরে শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত পরীক্ষার চাপ কমাতে সরকার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা স্থায়ীভাবে বাতিল করে।

এরপর দীর্ঘ ১৩ বছর পর ২০২২ সালের ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে আবারও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা চালু করা হয়। সেই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৮২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা পুরোপুরি পুনর্বহালের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। ওই বছরের শেষ দিকে পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও বিভিন্ন আইনি জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি।

পরে সব জটিলতা কাটিয়ে চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশব্যাপী প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বর্তমান নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি প্রদান করা হবে। মেধা তালিকায় ছাত্র ও ছাত্রীর সংখ্যা সমানুপাতিকভাবে ৫০ শতাংশ করে নির্ধারণ করা হবে।

এ ছাড়া মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং অবশিষ্ট ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

/এএসএফ