আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে ইসরায়েলের আগ্রাসী কর্মকাণ্ড ও পরিকল্পনা পবিত্র এই স্থাপনাটির ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করছে বলে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন সংগঠনটির প্রবাস শাখার প্রধান খালেদ মেশাল। খবর গালফ নিউজের।
আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে ইসরায়েলের চক্রান্তের প্রমাণ হিসেবে বেশ কিছু বিষয় তুলে ধরেন খালেদ মেশাল। এর মধ্যে রয়েছে মসজিদটি টানা ৪০ দিন বন্ধ রাখা, উগ্র ইহুদি গোষ্ঠীগুলোর প্রবেশ নিশ্চিত করতে সময়ের বিভাজন আরোপ এবং আল-আকসা চত্বরের ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো ফাঁকা করে স্থানগত বিভাজন তৈরির বহুমুখী প্রচেষ্টা।
ইসরায়েলের এসব কর্মকাণ্ড মোকাবিলায় চারটি সুনির্দিষ্ট কৌশল বা কর্মপন্থা ঘোষণা করেছেন খালেদ মেশাল।
প্রতিরোধ ও সশস্ত্র সংগ্রাম: ফিলিস্তিনি জনগণ ও সম্মুখসারির দেশগুলোর নেতৃত্বে জেরুজালেম রক্ষায় সার্বিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
জনগণভিত্তিক প্রতিরোধ: ফিলিস্তিনের অভ্যন্তরে আল-আকসায় অবস্থান নেওয়া এবং নিয়মিত সেখানে যাতায়াতের মাধ্যমে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলা।
মুসলিম উম্মাহর জাগরণ: আরব ও মুসলিম বিশ্বের কোটি কোটি মানুষকে রাজপথে ফিরিয়ে এনে বিশ্বজনমত ও আন্দোলনকে সক্রিয় করে তোলা।
রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক নেতৃত্বগুলোর বিশেষ পদক্ষেপ: বিভিন্ন রাষ্ট্র ও শাসনব্যবস্থার শীর্ষ নেতাদের পক্ষ থেকে কার্যকর ও ব্যতিক্রমী কূটনৈতিক বা নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
/এসএন